Thats how we respect our SHAHIDS? … truly sad

Peoples wearing shoes while they are in the SHAHID MINAR stage… police watching is every watching and doing the same but nobody cares…. 😦 and they are doing it on 21st february thats the last thing SHAHIDS departed soul might expect….

Video:

Run Opera Mini on your pc…

1. First download this rar file…..

http://www.mediafire.com/?nwf01mkjmam

2. download java run time environment and install it…

3. then extract the file “OperaMINI for Windows.zip”

4. open the extracted folder

5. open “microemulator-2.0.4”

6. then double click on “microemulator.jar”

7. Then drag the file ….”opera-mini-latest-advanced-en-us_3.jar” iin to MicroEmulator

8. double click on operaMini …..

wala…. you are finished….. Enjoy……

compress your photos easily…..

compress your photos easily follow these instructions ….

download from here

http://www.mediafire.com/?jwl2nyumtnt

1. Install the software

2. go to crack folder & double click vimas

3. open your photo directory

4. select photos you wan to compress

5. right click on it

6. click web image guru 5.5

7. compress how much you want like the photo

8.click save

9. uncheck “use selected folder for next saving session”

10. then click save

yor photo is compressed ……..

 

বিক্ষিপ্ত কিছু কথা…..

২৫ এপ্রিল ২০১৬ রাত ৩: ৩৯

আমি প্রতিদিন রাতে ঘুমাই কোনো একটা স্বপ্ন নিয়ে। যেই স্বপ্নটা আগামীদিন পূরন করতে  চাই। স্বপ্ন গুলো বড়ই সাধারন । যেমন গত কাল স্বপ্ন দেখেছিলাম একটা মুভি দেখার । তার আগের দিন দেখেছিলাম কোনো এক স্থান থেকে ঘুরে আসার তার আগের দিন একটা গল্পের বই কেনার। কখনো কখনো স্বপ্ন গুলো বাস্তবায়ন হয় কখনো হয়না। কিন্তু সব সময়ই কোনো না কোনো স্বপ্ন দেখতে চাই। কিন্তু সব রাতেই যে স্বপ্ন থাকে তা কিন্তু না। যে রাতে স্বপ্ন থাকে না সেই রাত গুলোতে ঘুমাতে যাই না। কখনো পিসির সামনে কখনো ছোট্ট বারান্দায় দাড়িয়ে আথবা কখনো পুরোনো স্মৃতির উপর বিচরন করে রাতটা পার করে দেই। আজ সে রকম একটি রাত যেই রাতে সকালো পূরন করার মত কোনো স্বপ্ন নাই।

সকাল ৭ টা

পিসিটা বন্ধ করে ইউনিভার্সিটির জন্য প্রস্তুতি নিলাম। ৭.৩০ এর দিকে বাসার কাউকে না বলেই বেরিয়ে গেলাম। প্রায় ৮.১০ এ পৌছালাম। ৮.৩০ এ Math ক্লাশ আছে আজ স্যার এর কুইজ এর রেজাল্ট দেয়ার কথা। তবে সেই আশা করা প্রায় অপরাধ এর পর্যায়ে পরে। কারন উনিই সম্ভবত একমাত্র শিক্ষক যে কিনা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে সেশন জট লাগেতে পারে।
হাহাহাআআআ। নিজে নিজেই হাসলাম স্যারের কান্ড কারখানা চিন্তা করে । ভাবতে ভাবতে ৮ তলায় উঠে গেলাম। লিফটের জন্য দাড়িয়ে থাকতে সব সময়ই কষ্ট লাগে। বলতে পারেন আমি উল্টা ধরনের অলস। লিফ্টের জন্য দাড়িয়ে থাকতে আলসেমি লাগে কিন্তু লিফট এর সাথে রেস করে দৌড়ে উঠি। এই কাজটা যেমন বাসায় করি তেমনি ইউনিভার্সিটিতে। ভালই লাগে খারাপ কি। ক্লাশে এসে দেখি ৩টা মেয়ে অলরেডি চলে আসছে বসলাম ৩য় বেঞ্জে এই সিটটাই আমার প্রিয়। মেয়ে গুলা ফিস ফাস করতেছে। এই মেয়েদের কাজই হল ফিস ফাস করা আর সবার আগে এসে ক্লশে বসে থাকা। যাই হোক আজকে রিভিউ ক্লাস কার কি প্রবলেম আছে বলবে । আমার কোনো প্রবলেম নাই।  কারন স্যার যে ক্লাশে বুঝিয়েছে তা ঠিকই বুঝছি কিন্তু বাসায় প্রেকটিস করি নাই। সুতরাং প্রবলেম বেরও হয় নাই। যাই হোক স্যার আসলেন যথারিতি কুইজ রেজাল্ট দিতে ব্যার্থ হলেন। এবং ক্লাস নিয়ে চলে গেলেন। ঘুম ভরা চোখে ক্লাশ থেকে বের হয়ে ক্যাফেটেরিয়তে গেলাম। তাও অন্য বিল্ডিং এ সেটা যেতে অনেক কষ্ট করতে হয়। যথারিতি Noodles  আর কফি অর্ডার দিলাম। নেক্সট ক্লশের এখনো ১ ঘন্টা ৪০ মিনিট বাকি । কি করা যায় ভাবতে ভাবতে খাওয়ার কাজ শেষ হয়। একটা বই বের করে পড়তে যেয়ে দেখি কিচ্ছু ঢুকছে না মাথায় । তার আমি এখন পড়া হবে না। কি আর করা অগ্যতা নিচে নামলাম। কোনো পরিচিত মুখের আসয় ক্যাম্পাস এর এক মাথা টু আরেক মাথয় গেলাম। পেলামও কিছু পরিচিত মুখ। কিন্তু সমস্যা হল আমি কারো সাথেই সহজ হতে পারি না। কি আর করা ঠিক করলাম ল্যাব এ যাব রওনা দিয়েও থেমে গেলাম কেন জানি ইচ্ছা হল না।

আসলে মনটা খারাপ কোনো উদ্দেশ্য না থাকলে আমার এমন হয় আমার । কোনো উদ্দেশ্য বিহীন চলা সত্যি কঠিন। যাই হোক অনেক কষ্টে বাকি টাইম এদিক সেদিক ঘুরা ঘুরি করে কাটিয়ে দিলাম। এর পর BUS  101 ক্লাসে চলে গেলাম এখনো একই কান্ড মেয়ে গুলা এসে ভরে গেছে আবার সেই থার্ড বেঞ্চ এ গেলাম। একটা ছেলে এসে বসল পাশে। ছেলেটা এমনি তে ভালই তবে দেখলেই মনে হয় কোনো টেনশনে আছে। জিজ্ঞেস করলাম কেমন আছে বল্ল ভালই । তবে দেখে মনে হল না। একটু পর আসল বিশ্ব প্রেমিক। এই ছেলে আজ এ তো কাল ঐ মেয়ের সাথে লাইন মারা। বসল যেয়ে এক মেয়ের পাশে মেয়েটা ডিষ্টর্ব ফিল করতেসে তার ঐ দিকে খেয়ালই নাই ।  একবার এই প্রশ্ন তো আরেক বার আরেক প্রশ্ন কইরা মেয়েটার সাথে কথা বলতে চাইতেসে। যাই হোক ঐ দিকে মাথা ঘামালাম না। পাশের ছেলেটার সাথে একটু আড্ড দেয়া শুরু কলাম। বিক্ষিপ্ত কথা বর্তা এখন পড়া লেখা তো তখন খেলা এমন। এখনো ক্লাসের ৩০ মিনিট বাকি সুতরাই টাইম পাসএর চেষ্টা আরকি। আরো কিছু ছেলে যোগ দিল আমাদের সাথে একসময় প্রচুর হাসাহাসি হচ্ছিল স্পোকেন ক্লেসে কে কি মজার কান্ড  করেছে ঐটা নিয়ে। হঠাৎ একটা মেয়ে বল্ল আচ্ছা তোমার কি কোনো টুইন ভাই আছে??? আমি তো থতমত খেয়ে গেলাম। আমারে বলছে নাকি??? আমাকে তো বলার কথা না! কিন্তু পরে বুঝলাম আমারেই বলেছে কিচ্ছুক্ষন ভেবে সিন্ধান্ত নিলাম আমার কোনো টুইন ভাই নাই। সুতরাং খুবই গম্ভির ভাবে উত্তর দিলাম। নাহ। মেয়েটা মনে হয় অবাক হল বা নিরাশ হল এই টাইপের কিছু একটা হবে। পরে গভীর চিন্তায় ডুবে গেলাম আমাকে এই প্রশ্নটা জিজ্ঞেস করল কেন????  গত কাল এক দোকিনী ও জিজ্ঞেস করছিল ভাইজান আপনার কি কোনো বড় ভাই আছে আমি তো ভাল মানুষের মত উত্তর দিয়েছিলাম হ্যা। কিন্তু এই মেয়েটা এই প্রশ্ন করল কেন????   সেই উত্তর খুজতেই টয়লেটের উদ্দেশ্যে রওনা হলাম। কারন দেখা দরকার চেহারা পাল্টে গেল কিনা সামান্য……………………………………..

আয়নার নিজেকে দেখে আমি তো নিজেই অবাকsurprised! এটা কেthinking? ওহ ! এটা তো আমি না । পুরা এক মিনিট চোখ বন্ধ করে থাকলাম। চোখ খোলার পরও সেই একই অবস্থা কিছুক্ষন অসুস্থ বোধ করলাম তার পর ব্যাপারটা নিয়ে ভাল করে চিন্তা ভাবনা করলাম। আসলে চেহারা পাল্টিয়েছে ঠিক কিন্তু তা এক দিনে পাল্টায় নাই। আচ্ছা শেষ কবে নিজের চেহারা দেখেছি? নাহ মনে পরছে না। মুখটা ধুয়ে ক্লাসের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। যেয়ে দেখি ক্লাস শুরু হয়ে গেছে । চুপ চাপ যেয়ে ক্লাসে বসে গেলাম। ইস কয়েক মাসের ব্যবধানে কত চেঞ্জ হল সব কিছুর আগে ছিলাম রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের জেলখানায় আর এখন ইষ্ট ওয়েষ্টের মুরর্গির ফার্মে । ঐখানে বিশাল এরিয়া হওয়ার পড়ও জেলখানা জেলখানা লাগত। কারন অনেক আইন অনেক নিয়ম কানুন। অথচ এই মুরর্গির খামারে আবার নিয়ম কানুন তেমন একটা নাই। যে যখন খুশি ক্লাশ থেকে বের হচ্ছে আসছে স্যার দেখেও না দেখার ভান করছে। ভালই খারাপ না। এই ক্লাশটাও শেষ হল । আজকের মত ক্লাশ শেষ। এখন আর কিছুই করার নাই। বাসার উদ্দ্যশ্যে রওনা দিব। দুই এক জন এর সাথে টুক টাক কথা বলে বাসার উদ্দ্যেশ্যে রওনা দিলাম।
…………….

রাত: ১:৫০

আজ পরীক্ষা আছে তাই নেটে আসতে একটু দেরি হয়ে গেল। আসলে নেটে আসার ইচ্ছা ছিল না আজ রাতে কিন্তু কি আর করা ফোরামটাতে না এসে থাকতে পারলাম না। এখন ভাবছি আজ রাতে জেগে থাকব নাকি ঘুম দিব। ফোরামে ঢুকেই বুঝতে পারলাম সকালে কি ঘটনাটা ঘটেছিল! আসলে আমি গত পরশু চুল কেটেছি বিশাল চুল কেটে এত ছোটো করেছি যে হাত দিয়ে ধরা যাবে না। গত  ১০ বছর এভাবেই চুল কাটতাম কিন্তু কলেজের মাতব্বরি শেষ তো আমার চুল ও বড় হচ্ছিল। কি ভেবে যে কেটে ফেল্লাম তা নিজেও জানি না। আসলে মানুষ অভ্যাসের দ্বাস তো , পুরোনো অভ্যাস ছাড়তে একটু সময় লাগবে।

কিছুক্ষন ফোরামে এই সাইটে ঐ সাইটে ঘুরা ঘুরি করলাম, কাজ করার এখন আর কিচ্ছু পাচ্ছি না। মাঝে মধ্যে এমন হয় কখনো কখনো চান্দি গরম হয়ে যায় কাজের ঠেলায়, আবার কখনো কখনো কিছুই পাইনা কাজ করার। কি করি ভাবতে ভাবতে  নাইট রাইডার এর নতুন একটা সিয়াল বের হয়েছে সেটা দেখতে বসলাম কিন্তু কিছুক্ষন দেখার পরই আমার মাথা চক্কর দিয়ে উঠল সর্বনাস! হায় হায় এখন কি হবে!!!!

………

আজ দুইটা পরীক্ষা। MAT 100 আর BUS 101 অথচ BUS 101 এর কথা আমার মনেই নাই। আমি মাত্র একটা  সাবজেক্ট পড়েছি। কিছুক্ষন ভাবলাম কি করা যায় ? তার পর সিদ্ধান্ত নিলাম। টেনশন নিয়ে লাভ নাই। দিলাম একটা ঘুম। আমি এমন টা করি। কখনো যোদি এমন সিচুয়েশন আসে যেটা করা খুবই কঠিন তখন যত দরকারিই হোক আমি আর সেই কাজের আগ্রহ পাই না। তবে যেই কাজটা পছন্দ করি বা ভাল লাগে করতে যত কঠিনই হোক চেষ্টা চালিয়ে যাই।

BUS 101 এর স্যার একটা এসাইনম্যান্ট দিয়েছে। এসাইনম্যান্ট টা হল Business Plan প্রথমে খুবই মজা লাগছিল পরে দেখি আসলে বিষয়টা এত সোজা না । বেশ কঠিন। অনেক জটিলতা এর মধ্যে। Study Room এ বসে বসে কি ভাবে Business এর লাভ দেখানো যায় তা চিন্তা ভাবনা করছি। কিন্তু কিছুতেই লাভ দেখাতে পারছি না। চান্দি একটু একটু গরম হচ্ছে। তার মধ্যে এত হৈচৈ। স্টাডি রুমে বসে কিছু করতে নিলে এই এক সমস্যা। Study Room আর Study Room নাই। Dating Room হয়ে গেছে। কালকে একটা কাজ করতে হবে, বাসা থেকে একটা কাগজে প্রন্ট করে নিয়ে আসব Dating Room লিখে তার পর দরজায় লাগিয়ে দিব। ভালই হবে কাজটা এর মধ্যে কোনো সমস্যা দেখছি না। এই সব চিন্তা করতে করতে ব্যাগ গুছিয়ে বেরিয়ে এলাম স্টাডি সরি ডেটিং রুম থেকে।

রিসার্চ বিল্ডং থেকে নেমে দেখি এলাহি কান্ড ফুচকা খাওয়ার ধুম পড়ে গেছে। ফুচকা আমার ভালই লাগে শুধু ভালই না বেশ ভাল লাগে। তবে এখন খাওয়া সম্ভব না। সবাই যখন যা করে আমি সেটা করতে পারিনা এটা আমার আরেক সমস্যা। আস্তে আস্তে একাডেমিক বিল্ডং এর দিকে এগুলাম। হঠাৎ দেখি এক পুরোনো ফ্রেন্ড । আমি ওরে কিছুক্ষন দেখে চিনলাম। কিন্তু আমারে চিনার কোনো কারন নাই। কারন ওর সাথে বেশ কয়েকটা ফ্রেন্ড আছে , খুবই ব্যস্ত মনে হয়। কি আজব আমরা স্কুল, কলেজ পাল্টালে আমাদের ফ্রেন্ড ও পাল্টে যায় পুরানো ফ্রেন্ড গুলারে একদম ভুলে যাই। কেন যে মানুষ এমন???

মানুষ কে চমকে দেয়ার মজাই আলাদা। তাই ঠিক করলাম আমার পুরানো বন্ধুটারে চমকে দেয়া যাক। কিন্তু যায়ে দেখা করা ঠিক হবে না। কারন ঐযে আগে বল্লাম! মহা ব্যস্ত! একটু অন্যভাবে চমকে দেয়া যায় ………………….

………………..

হুম এবার চমকে দেয়ার পালা! আমার একটা অভ্যাস আছে আমি কোনো ফোন নাম্বার মুছি না মোবাই থেকে! একবার একটা নাম্বার পেলেই হল সেটা সেভ করে ফেলি । এটা করি কারন অপরিচিত নাম্বার আমি রিসিভ করি না। সুতরাং যত পারি সেভ করি। যাক সে কথা । আমার ঐ বন্ধুটার ফোন নাম্বার বের করে দিলাম ফোন । কপাল ভাল ফোন পাল্টায় নাই। ধরল ফোন টা।

>কেমন আছেন …..
>> কে?
> আরে আমারে চিনবেন না
>> চিনব না কেন আপনি কে বলেন
> তার আগে আপনার সাথে মেয়েটা কে সেটা বলেন?
>> কোন মেয়েটা? (এদিক সেদিক তাকিয়ে) [তখন যোদি আপনারা ওর চেহারাটা দেখতেন!!]

এমন একটা ভাব ধরল মেয়েটারে চিনেই না। ওর সাথে যে মেয়েটা ছিল সে ওরে কি যেন বলতেসে কিন্তু ওর কোনো খেয়াল নাই সেদিকে। ও খুজতেসে কে ওরে ফোন করছে তাকে। কিন্তু আমারে কই থেকে পাবে, আমি ঐ ভাবেই আছি যাতে দেখতে না পায়tongue

> আপনার বাসা কই যানি ভাই জান মোহাম্মদপুর না?
>> জ্বি ? জিনা আমার বাসা ধানমন্ডি।
> তাই না ? তা ধানমন্ডি ৩২ নাম্বার নাকি?
>> আরে ভাই আপনি বলেন তো কে আপনি ?
> শুনেন ভাই আপনার বাড়ি মোহাম্মদপুর এটা আমি জানি।

আরেকটা কথা শুনেন আপনার সামনের মেয়েটারে আপনি বলসেন আপনার বাড়ি ধানমন্ডি এইটা ঠিক করেন নাই। (আন্দাজে ঢিল মারসি!big_smile)

>আপনি এখন মেয়েটারে সরি বলেন এবং চাপা যে মারসেন সেটাও বলেন। ওর মুখটা যোদি তখন আপনারা দেখতেন (হাহাহা)

>> এই গুলার মানে কি ভাই? আপনি চানটা কি?
>আরে ভাই আমি কি চাব আপনার কাছ থেকে ? আপনি একটা চাপা মারসেন সেটার জন্য এখন কনফেস করবেন।

>আচ্ছা একদিন সময় দিলাম আপনারে এর মধ্যে যোদি না বলেন আপনারে এমন দৌড়ানি দিমু আপনি চিন্তাও করতে পারবেন না।

বলে ফোনটা রেখে দিলাম। আহারে আমার দোস্তের অবস্থা যোদি তখন আপনারা দেখতেন । পরে নিজেরই খারাপ লাগল বেচারার  হার্টের অবস্থা কিছুক্ষনেই খারাপ করে দিসি।

ওরে জাস্ট একটু টাইট দিলাম আর কি । আর যখন বুঝলাম ও চাপা মারসে তখন মাত্রাটা একটু বাড়িয়ে দিলাম যাতে পরবর্তিতে চাপা মারার আগে যেন একটু ভাবে।

সেদিন রাত ১২ টার দিকে পিসির সামনে বসে এদিক সেদিক ঘুরা ঘুরি করছিলাম মজাই লাগছিল। কিন্তু আমার জীবনে মজা খুব একটা টিকে না সুতরাং এবার ও টিকল না……….

ডাউনলোড

এ মাসে আমি ব্রডব্যান্ড নিলাম। এর আগে জিপি ব্যবহার করতাম। যেহেতু আমার জি,পি,আর,এস মডেম ছিল তাই আমার নেটের স্পিড গড়ে ৩-৫ KB/sec  থাকত। কিন্তু এখন অবস্থার অনেক পরিবর্তন হয়েছে। আমার  আমি বর্তমানে ১০০০ টাকায় ২৫-৪০ KB/sec পাচ্ছি আমার কাছে অনেক। কারন আমার পাওয়ার কথা ১২ KB/sec । তবে আমার আইএসপিতে সমস্যা আছে ওরা সম্ভবত টরেন্ট বন্ধ করে রাখসে। তাই এই স্পিডটা আমি পেতেই পারি। তবে সবচেয়ে বড় যে সমস্যা ফেস করতেসি তা হল বিদ্যাৎ চলে যাওয়া বা লাইন কেটে যাওয়া। সে সব সাইট হতে ডাউনলোড রিজিউম করা যায়না বা দুই একবার রিজিউম করলে ডাউনলোড আর রিজিউম হয়না যেমন (মিডিয়া ফায়ার ) এই সব সাইট থেকে ডাউনলোড করা খুবই কষ্টের। বিশেষ করে আমি অলরেডি ২ গিগার মত হারিয়েছি এসব কারনে। তাই আপ্রান হয়ে এই কয় দিন একটা সমাধান খুজছিলাম।
আইডিএম।
এই ডাউনলোড ম্যানেজারটি আমার সবচেয়ে প্রিয়। এটা দিয়ে আমি ১২ KB/sec এর লাইনে ১ মেগাবাইট পার সেকেন্ড ও মাঝে মধ্যে পাই। যেখানে একসাথে ড্যাপ দিয়ে ডাউনলোড দিলে ১১ KB/sec এর বেশি পাওয়া যায়না!
কিন্তু সমস্যা এক জায়গায়ই মাঝে মধ্যেই রিজিউম হয় না। নতুন করে রিজিউম করতে চায়। এর একটা সমাধান আছে ড্যাপ এ।
ড্যাপ।
এর অলওয়েজ রিজিউম অপশনটি দিয়ে যে সকল সাইটে রিজিউম করা যায়না ঐ সকল সাইট হতে রিজিউম করা যায়। আমি পাঁচটি  উইটিউব এর ফাইল  এভাবে টেষ্ট করে দেখেছি ড্যাপ রিজিউম করতে পারে । শুধু একবারই সমস্যা পেয়েছি সেটা হল ড্যাপ রিজিউম করেছে ফাইল পুরো ডাউনলোডও হয়েছে কিন্তু পুরো ভিডিও ছিলনা ফাইল টা তে ।

এবার আসা যাক কে কত সুবিধা দেয়?
এক কথায় আইডিএম দিয়ে আপনি যা চান মোটামোটি তাই করতে পারবেন। এটা ভিডিও ফাইল গ্যাব করতে পারে। যে কোনো অ্যাপলিকেশন কিছু ডাউনলোড করতে চাইলে তাও গ্যাব করতে পারে যেমন (ইয়াগু ম্যাসেঞ্জার) ।
মুভি ।
কিছু কিছু সাইট আছে যারা আপনাকে মুভি দেখতে দেয় মজার বিষয় হ্ছে আপনি চাইলে ড্যাপ দিয়ে ঐসাইট হতে মুভি ডাউনলোড করতে পারেন। এতে যেমন সুবিধা আছে তেমন আছে অসুবিধা যেমনঃ সুবিধা গুলো হলঃ

১।স্লো স্পিড হলে আপনি মুভি সরিসরি দেখতে পারবেননা। কিন্তু ডাউনলো করে দেখতে পারবেন।
২।যেহেতু .flv এর সাইজ ছোটো তাই মুভির সাইজ ৭০০ মেগার স্হানে ৪০০ বা তারাও কম কোনো কোনো মসয় ২০০ মেগার মধ্যেই থাকে।!!!
অসুবিধাঃ
১। আপনি রিজিউম করতে পারবেন না।(সব ক্ষেত্রে না।)
২। কখনো ফায়ার ফক্স আবার কখনো ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ব্যবহার করতে হবে .flv গ্রাব করার জন্য।

এবার আশা যাক এখন আপনি কি করবেন?
১।আমার সাজেশন হচ্ছে আপনি যোদি বড় কোনো ফাইল যে গুলো রিজিম করা যায় সে গুলো ডাউনলোড করতে চান তবে আপনি চোখ বন্ধ করে আইডিএম দিয়ে ডাউনলোড দেন।
২। এফএলভি ফরমেট এর মুভি ডাউনলোড করলে আপনি আইডিএম ব্যবহার করতে পারেন (বিশেষ করে রাতে)। তবে লক্ষ রাখুন যদি বিদ্যুৎ যাওয়া বা লাইন কাটার সম্ভাবনা থাকে তবে ড্যাপ ব্যবহার করেন। কারন ড্যাব ব্যবহার করলে রিজিউম এর ৮০% সম্ভাবনা আছে।
২। যে সকল ফাইল রিজিউম করা যায় কিন্তু কোনো কারনে রিজিউম হচ্ছে না যোদি ৪০৪ ইরর না দেখায় তবে চেষ্টা করেন কয়েক বার যোদি না হয় বা বলে প্রথম থেকে ডাউন লোড করতে হবে তবে একটা ট্রিকস আছে আমি আজ এই ট্রিকস টা কাজে লাগিয়ে এমন একটা ডাউনলোড আবার রিজিউম করলাম
২.১ ট্রিকসঃ  কিছু কিছু সাইট আছে ডাউনলোড করার জন্য আপনাকে একটি সিকিউরিটি কোড লিখতে হবে ছিবির ন্যায় তার পর আপনি ডাউনলোড লিংক পাবেন। এসব সাইট হতে যোদি ডাউনলোড করেন আর যোদি কোনো কারনে বলে রিজিউম হবে না সে ক্ষেত্র আপনি যে লিংকটা দিয়ে আপনি ঐ সাইটে যান এবং সিকিউরিটি কোডটা দেন সেই সাইটে যেয়ে আবার সিকিউরিটি কোড দেন এবার আপনাকে আবার ডাউনলোড লিংক দিবে। এবার সেই ডাউনলোড লিংকটা  আপনার ডাউনলোড ম্যানেজার এ যেয়ে ডাউনলোডের উপর রাইট বাটন দিয়ে properties এ যান এবং এড্রেস এর স্থানে পেষ্ট করে ডাউনলোড রিজিউম করেন দেখবেন ডাউনলোড আবার শুরু হয়ে যাবে। (আমি এটা একবার করেছি তবে ডাউনলোড টা শেষ হয় নি হলে জানাব সব ঠিক আছে কিনা।) তবে এখানে আমি একটি কথা বলতে চাই তা হল এই ট্রিকস টা আইডিএম ছাড়া অন্য কোনো ডাউনলোড ম্যানেজার দিয়ে কইরেননা।

এবার আসা যাক কি ভাবে আইডিএম দিয়ে  এফ এল ভি মুভি নামাবেন ?
এই ছবি গুলা দেখেন।

একটা কথা খুবই পরিষ্কার করে বলে রাখি আমি কিন্তু কাউকে পাইরেটেড মুভি বা সফট ব্যবহার করতে বলছিনা। সবাই যতটুকু সৎ থাকা যায় থাকেন। ভাল থাকবেন। আর কারো কাছে ভাল বুদ্ধি থাকরে জানাবেন।

ওয়েব সাইট খুলুন ফ্রিতে

পুরো একটা ওয়েব সাইট পাবলিসের জন্য যা লাগবে তা হল
আপনার ওয়েব সাইটটি তৈরী করা এর পর পাবলিশ
প্রথমে আপনাকে চিন্তা করতে হবে যে আপনি কি রকম স্পেস চান সাইটে প্রভাইডারদের এড থাকবে কিনা এফটিপি সাপোর্ট থাকবে কিনা।(ftp)হচ্ছে file transfer protocol.
যদি ২০০ মেগাবাইট স্পেসেই হয়ে যায় তবে http://www.sitesled.com সবচেয়ে ভাল
এইক্ষেত্রে সাইটের নাম হবে yoursitename.sitesled.com অথবা আপনি http://www.zymic.com রেজিষ্ট্রেসন করতে পারেন Zymic এ খুললে সাইটের নাম হবে yoursitename.99k.org Zymic এ আরো কিছু নাম নেয়ার ব্যবস্থা আছে তবে এখন মনে পড়ছেনা।
যদি নাম পছন্দ না হয় তবে আরেকটা ব্যবস্থা আছে সেটা হল আপনার সাইটের ফাইল এখানে রেখে http://www.dot.tk আথবা http://www.freedomain.co.nr এ যেয়ে আপনার নাম রেজিষ্ট্রেসন করতে পারেন।এ ক্ষেত্রে আপনার সাইটের নাম যথাক্রমে এমন হবে http://www.yourwebsitename.tk এবং http://www.yourwebsite name.co.nr

অর্থাৎ আপনি নাম নিবেন .tk অথবা .co.nr থেকে আর স্পেস নিবেন sitesled.com থেকে।
আশাকরি আপনাদের প্রশ্নের উত্তর পেয়েছেন।
ওওওওওওওওও ভুলে গিয়েছিলাম দয়া করে কেই শুধু শুধু ফ্রি সাইট খোলার জন্য সার্চ দিয়েন না এতে আপনার মাথা গরম হয়ে যেতে পারে কারন অনেক সাইট ই এমন অফার দেয় সঠিকটা খুজে পাওয়া খুবই কঠিন। ওও হে sitesled এ bandwith প্রবরেম হবেনা বলে বিশ্বাস। আর কারো অনেক স্পেস দরকার হলে
http://www.9999mb.com/ ট্রাই করতে পারেন তবে এটা ব্যবহার না করাই ভাল কারন কিছু সমস্যা আছে। কারো যোদি কোন সমস্যা বা প্রশ্ন থাকে তবে mahbub.zaman.3000@gmail.com এ মেইল করে জেনে নিতে পারেন।
ওওওও home page এর নাম index দিয়েন না হলে ডিসপ্লে হবেনা ওয়েবে।
ভাল থাকবেন।

ঠোঙ্গা সাহিত্য

একে আপনারা বলতে পারেন ঠোঙ্গা সাহিত্য। কারন আমি এই লেখাটা ঠোঙ্গা হতে পেয়েছি। আমি মাঝে মধ্যেই বাসায় ঠোঙ্গা আসলে ঘেটে দেখি । কাল হঠাট একটা ঠোঙ্গা থেকে এই জিনিস পেলাম। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে ঠোঙ্গাটা ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের ম্যাগাজিন এর কাগজ দিয়ে তৈরি। ম্যাগাজিনটা আমার কাছে আছেও। কিন্তু আগে কখনো পড়িনাই। নিচে লেখাটা দিলাম।

অতঃপর হতাশা
খ, ম, সারোয়ার
-আ-আপনি কে?
-ইস………খুব কঠিন প্রশ্ন উওর দিতে পারবনা। মনে কর কেউ না।
-কি জন্যে এসেছেন?
-কথা বলতে।
-বলুন।Tell me!
-কিসে পড়?
-ক্লাস টেনে।
-বাংলা না ইংলিশ মিডিয়ামে?
-আরে, শিট। বাংলা মিডিয়ামে প্রেস্টিজ থাকে নাকি! ইংলিশ মিডিয়ামে।
-ও আচ্ছা! আচ্ছা জান, বাংলা ভাষা কিভাবে এলো?
-কি ভাবে আবার ! Like any other language.
-জানো না কিভাবে অর্জিত হল ভাষা?
-কেন, কি ভাবে আবার?
কয়েকজনের
রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এ ভাষা। অন্য কোন ভাষায় কথা বলতে রক্ত দিতে হয়নি। বাংলা ভাষার জনৌ রক্ত দিতে হয়েছিল। শুধু রক্তই নয়, দুঃখ্যের অতল সাগরে ভেসেছে স্বজনহারানো পরিবার। সারা বিশ্ব সেদিন স্তম্ভিত হয়েছিল। সেদিন ছিল ২১শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১ সাল।
-ও, হ্যা! হ্যা! মনে পড়েছে।
-একটি ভুল ছিল ধরতে পারনি। ৭১ নয় ১৯৫২ সাল।
-ও হ্যা তাই তো? সেদিন কয়েকজন die out হয়েছিল পুলিশের গুলিতে। মিছিল –ফিছিল করছিল এ জন্য হয়তো।
তাও ভাল। কিছুটাতো জানো। যাই হোক, ঐদিন কি করবে?
-কি বল্লেন ? কোন দিন?
-পরশু ২১ তারিখ কি করবে?
-ঘুরব। I will go শহীদ মিনার with someone , ফুলটুল দেব, আর কি!
-কাকে নিয়ে যাবে?
-বলা যাবেনা, secret.
-কি জন্য ফুল দেবে?
বল্লাম না, কয়েকজন মরেছিল ঐ জন্যে। আসলে ফুলটুল দেয়া matter না, Matter is that ওকে নিয়ে ঘোরা।
-বুঝলাম
-কি বুঝলেন?
-বুঝলাম, সূর্যের কলঙ্কগুলো বাড়ছে। লাইটের কৃত্রিম আলো বঞ্চিত করছে আমাদেরকে জ্যোছনা থেকে। আরো বুঝলাম……. থাক বলবনা।
-আচ্ছা, বলুন তো, who are you?
-আবারো খুব কঠিনপ্রশ্ন। মনে করে, কেউ না। I am nobody but someone inside of you.