আমার ইচ্ছে গুলো!

সেপ্টেম্বর 3, 2008

আমি মানুষটা একটু উল্টা পাল্টা মাঝে মধ্যে ভিষন অলস মাঝে মধ্যে ভিষন পরিশ্রমি। আমার ইচ্ছে গুলো একটু আলাদা ধরনের। আমার স্বভাব গুলোও একটু অন্যরকম। এই যেমন আমি গান শুনতে পছন্দ করিনা। আমার এক বন্ধু একবার বলে ছিল  ছিল তুই গান পছন্দ করিস না?! আচ্ছা তুই ফুল পছন্দ করিস? আমি বলে ছিলাম নাহ! আমার বন্ধু তখন বলেছিল তুই তাহলে মানুষ খুন করতে পারবি!

হায় আমি মানুষটা এমনি! আমার বন্ধুরা যখন সপ্তায় সপ্তায় মেয়ে বন্ধু জোটায় আমি তখন একটা ফুটবল নিয়ে মাঠে একা একা খেলি । কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে যখন দেখি আমার কোনো বন্ধু তার মেয়ে বন্ধুকে নিয়ে ঘুরছে, হাত ধরা ধরি করে হাটছে তখন আসলে খুবই ভাল লাগে মনে হয় ওরা কত ভাগ্যবান । যোদিও জানি না ওরা আসলেই আনন্দিত কিনা। কিন্তু আমি আশা করি ওরা যাতে সফল হয়। আমারও যে এদের মত হতে ইচ্ছে করেনা তা না। কিন্তু আমার জীবনের উদ্দেশ্যটাই আলাদা। আমি চাইনা ঐ জীবন  দেখানে খাবদাব  ঘুমাব সময় হলে মূর্খের মত একদিন মারা যাব। পৃথিবীর এই বিপুল সৌন্দর্য কে না দেখেই অনন্ত অসীম জবনে পাড়ি জমাতে। আমি চাই বধাহীন মুক্ত একটা জীবন। যেখানে কোনো পিছুটান থাকবে না।  অপূর্ব পৃথিবীর যত সুন্দর আছে তা আমার দু চোখে দেখতে।  পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে অবিরাম ছুটে চলতে।  আমি নিজ পায়ে মরু পাড়ি দিতে চাই, আমি চাই একটি ডিঙ্গি নৌকা দিয়ে মহা সাগর পাড়ি দিতে । আবার মাঝে মধ্যে মনে হয় গহীন অরন্যে হারিয়ে যাই । যেখানে মানব সমাজের পদ চিহ্ন এখনো পড়েনি। কখনো সূর্যালোক এর দেখা পায়নি যে অঞ্চল আমি সেই অঞ্চল দেখতে চাই। আমার  জানতে ইচ্ছে হয় পৃথিবীর রহস্যময়তাকে। পূর্নিমার রাতে সমুদ্রের তীরে কিংবা পাহাড়ের চুড়ায় বসে জ্যোৎছনা দেখতে। আমার কাছে এই অদ্ভুত ইচ্ছে গুলোই খুবই গুরুত্বপূর্ন। কিন্তু ঐ যে বল্লাম আমি উল্টা পাল্টা এখন পর্যন্ত আমি ঢাকার বাইরে গেছি মাত্র ৪ বার। আর আমি কিনা পুরো পৃথিবী দেখতে চাই। হাহ ! বড়ই মজার কথা। আমি জানিনা সাতার, এমনি সাইকেল পর্যন্ত চালাতে পরিনা আর আমি কিনা পৃথিবী দেখব। হায় ক্ষমা কর প্রভু আমার ইচ্ছে গুলোর জন্য ক্ষমা চাই।

মাঝে মধ্যে ইচ্ছে করে বড়ি থেকে বেড় হয়ে যাই নাইলে আমার ইচ্ছে গুলো কখনই পূর্ন হবার নয়। আমা ইচ্ছে গুলো কি খুবই বিলাস বহুল  এই চিন্তায় মাঝে মধ্যে ডুবে যাই। কিন্তু কোনো উত্তর আজও পাইনি। তবু আমি অবিচল আমার ইচ্ছে গুলো পূরন হবে। আমার ধর্মই এটা। যে জিনিস টা মনে প্রানে ভালবাসি সেটার জন্য আমি শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করি । অত্যন্ত ঠান্ডা ঠান্ডা মানুষিকতার মানুষ আমি। চরম মূহুর্তেও অত্যন্ত ঠান্ডা থাকতে পারি। আমার চরিত্রের এই জিনিষটিই একমাত্র আমি উপভোগ করি। যখন কোনো কারনে আমার বন্ধুরা টেনসনে মরি মরি অবস্হা তখন আমি অবলিলায় হাসতে পারি। হয়তো জীবনের শেষ মূহুর্ত পর্যন্ত আমার ইচ্ছে গুলোর পূরনের জন্য অপেক্ষা করবো। কিন্তু জানিনা আমার ইচ্ছে গুলো কি সত্যি পূরন হবে। হাহ! সময় বলে দিবে। সময় সব সময়ই রহস্যময়তা পছন্দ করে। ঠিক আছে সময় আমিও Super Cool থাকতে পারি । তোমায় আমি দেখে নেব। ঐ সময় কে আমার কাছে ধরা দিতেই হবে। আমার ইচ্ছে গুলো সফল করতেই হবে।


ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ

ডিসেম্বর 26, 2007

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ এর কিছু ছবি।

বাকি গুলো ফ্লিকারে আছে লিঙ্ক

http://www.flickr.com/photos/11573470@N03


আমার হারিয়ে যাওয়া বন্ধুরা

অক্টোবর 17, 2007

আজ আমার পুরানো বন্ধুদের কথা কেন জেন মনে পড়ছে সবুজ সখা কিন্ডার গার্ডেনে যখন পড়তাম (নার্সারী-দ্বিতীয় শ্রেণী পর্যন্ত) আমার বেশ কিছু ভাল বন্ধু ছিল সবার আগে মনে পড়ে শুভর কথা অসম্ভব ভাল ছিল। আমি ক্লাস টুয়ে থাকতে ঐ স্কুল থেকে চলে আসি কিন্তু ক্লাস ফোরে এক বাড় ঘুরতে যাই শান্ত আমাকে দেখে যে ভাবে খুশি হয়ে ছিল তা সত্যি আজও অবাক করে। শামীম ছিল আরেকটা বন্ধু সত্যি কথা বলতে শুভ আর শামীম ছিল সবুজ সখার অন্য তম বন্ধু অবস্য আমার পাশের বাসার ইফাত ও খুবই ভাল বন্ধু ছিল।
এর পর আসি ঢাকা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের কথা সেখানে ফুয়াদ নামের একটা দুষ্ট ছেলের সাথে হেভি খাতির জমে আমার তবে ঢাকা পাবলিকে এক বছর ছিলাম ক্লাস থ্রি । এখানে সবচেয়ে ভাল বন্ধু ছিল নাভেদ অসম্ভব মেধাবি ছাত্র ছিল এই নাভেদ। তবে জিবনের অদ্ভুত সৌন্দর্যতম মুহুর্ত আসে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে ভর্তি হওয়ার পর। এক ক্লাস ড্রপ দিয়ে আমি আবার থ্রি তে ভর্তি হই ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে এসময়ই আমি হোস্টেল লাইফ এর মত মধুর জিবন কে উপলব্ধি করতে পারি এখন আমি ১২শ শ্রেণীতে মানে দ্বিতীয় বর্ষে । এখানকার বন্ধুদের কথা না হয় অন্য কোন দিন বলব যেদেন আমি এদেরও ছেড়ে যাব শুভ, শামীম বা নাভেদ, ফুয়েদের মত। যেদিন আমার মন চাইলেয় এদের সাথে দেখা করা সম্ভব হবেনা।

(এখানে উল্লেখিত বা অনুল্লেখিত কোন বন্ধু যোদি আমার এই ব্লগটি পড়ে থাক প্লিজ দেখা যোগাযেগ করো আমার ফোন নাম্বর 01670425222 এবং ০১৯১৭৩০০৫৪৪)